ফরিদপুর প্রতিনিধি: বর্ষা মৌসুমে ফরিদপুরের বিভিন্ন গ্রামে পুরোদমে চলছে পাট কাটা, জাগ দেওয়া ও আঁশ ছাড়ানোর কাজ। খাল-বিল ও জলাশয়ের পাড়জুড়ে সারি সারি করে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে পাটের আঁটি। কৃষক ও শ্রমিকরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন সোনালী আঁশ সংগ্রহে। স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, অনুকূল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত পানি থাকায় এবার পাটের আঁশের মান ভালো হচ্ছে। তবে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং ন্যায্যমূল্য নিয়ে তাদের উদ্বেগ রয়েছে। তারা আশা করছেন, বাজারে পাটের ভালো দাম পেলে পরিশ্রমের যথাযথ মূল্য পাবেন। একসময় দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে পরিচিত ছিল পাট। পরিবেশবান্ধব এই প্রাকৃতিক আঁশের আন্তর্জাতিক চাহিদা বাড়ায় আবারও পাটচাষে আগ্রহী হচ্ছেন অনেক কৃষক। কৃষকদের দাবি, সরকারি সহায়তা, সহজ ঋণ এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হলে সোনালী আঁশের হারানো ঐতিহ্য আরও শক্তিশালী হবে।ফরিদপুরের একটি গ্রামে খালের পাড়ে চলছে পাটের আঁশ ছাড়ানো ও শুকানোর ব্যস্ত দৃশ্য।